জলপাইগুড়ি থেকে বাংলাদেশ হয়ে রেলপথ চালুর উদ্যোগ সাংসদের।

জলপাইগুড়ি, ১৯ শে আগস্ট :- জলপাইগুড়ি থেকে বাংলাদেশ হয়ে কোলকাতা পর্যন্ত রেলপথ চালু করতে উদ্যোগী হলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ। এই রেলপথ টি ভারতের জলপাইগুড়ি, হলদিবাড়ি হয়ে বাংলাদেশের চিলাহাটি হয়ে কলকাতা পর্যন্ত হতে চলেছে। যদিও এই পথে রেল যোগাযোগ আগে ছিলো । দুদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ বাড়াতে ভারতের তরফে শেষ হয়ে গেলেও বাংলাদেশ কাজ শুরুই না হওয়ায়  উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের পক্ষ থেকে রেল চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন উত্তর পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক প্রণব জ্যোতি শর্মা। বিষয় টি নিয়ে বিদেশ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চলেছেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়।  ১৮৭৬ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে এই পথে রেল যোগাযোগ চালু করলেও ১৯৬৫ সালের পর এই রেল পথটি বন্ধ হয়ে যায়।ওই সময় শিলিগুড়ি জংশন থেকে দার্জিলিং মেইল ছেড়ে জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশন হয়ে হলদিবাড়ি ছুঁয়ে বাংলাদেশের নেলফামারি জেলার সীমান্তবর্তী স্টেশন চিলাহাটি ,পার্বতীপুর দিয়ে বেনাপোল সীমান্ত হয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছতো ট্রেন।  বর্তমানে হলদিবাড়ি,জলপাইগুড়ি, এনজেপি হয়ে শিয়ালদহ যেতে রেলপথে প্রায় সাড়ে পাঁচশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়।  হলদিবাড়ি- চিলাহাটি রেলপথ পুনরায় চালু হয়ে গেলে কলকাতা পৌছতে সময় লাগবে  ছয় থেকে সাত ঘন্টা।২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে পুনরায় এই রেলপথ চালুর উদ্যোগ নেয় বিজেপি সরকার।২০১৭ সালে  ভারত- বাংলাদেশ চুক্তিবদ্ধ হয়ে ফের এই বন্ধ রেলপথ চালু করার ব্যাপারে  উদ্যোগ গ্রহণ করে। জানাগিয়েছে, হলদিবাড়ি থেকে কাঁটা তারের বেড়ার আগে পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রেলপথ উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেল ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছে।অন্যদিকে বাংলাদেশের দিকে কাজ শুরু হয়েও থমকে রয়েছে।স্বাভাবিক ভাবেই নির্ধারিত ২০২০ সালের মধ্যে এই পথ চালু হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।বিষয় টি নিয়ে বিদেশ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চলেছেন জলপাইগুড়ি র  বিজেপি সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়। জানান এই পথ চালু হলে দুদেশের মধ্যে সম্পর্কের অনেক উন্নতি হবে।পাশাপাশি জলপাইগুড়ির গুরুত্বও বাড়বে।ইতিমধ্যেই এই নিয়ে রেল দফতরের আধিকারিকদের সাথে কথা বলেছেন তিনি। 
বাসুদেব ভট্টাচার্য্য, জলপাইগুড়ি

Spread the love

 

Related Post

Leave a Comment